নগরকণ্ঠ ডেস্ক
- সোমবার ১৮ জানুয়ারি, ২০২১ /
রোববার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ টরকী গ্রামে ‘আব্দুল ওয়াদুদ সরকার ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ হাসপাতাল’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান একথা বলেন।
এ সময় সেনাবাহিনীর সাফল্য তুলে ধরে জেনারেল আজিজ বলেন, ‘দেশবাসী লক্ষ করেছেন যে করোনা মহামারিতেও সেনাবাহিনী বেশ তৎপর ছিল। প্রধানমন্ত্রী যখন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন তখন সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। তখন আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছি দেশের জন্য। ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬২টি জেলায় প্রতিদিন ১১০০-১২০০ সেনা সদস্য গিয়ে মানুষের জন্য কাজ করেছে, গণসচেনতা সৃষ্টি করেছে ও মানুষের মধ্যে মাস্ক এবং ইক্যুইপমেন্ট প্রদান করেছে সেনাবাহিনী। করোনা মহামারিতে অস্থায়ী হাসপাতাল করে মানুষের চিকিৎসা দিয়েছি। গর্ভবতী মায়েরা যখন হাসপাতালে যেতে পারছিলেন না, তখনও সেনাবাহিনী তাদের চিকিৎসা দিয়েছে।’ সেনাবাহিনীর দক্ষতা তুলে ধরে
তিনি বলেন, এভাবেই অতীতের মতো কঠোর দায়িত্ব পালন করছে সেনাবাহিনী। ভবিষ্যতেও যদি দেশের স্বার্থে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে জনগণের মঙ্গলের জন্য আমরা সেটা করতে সবসময় প্রস্তুত।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রয়েছে। এই মুহূর্তে সীমান্ত এলাকায় কোনো শঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, একাধিকবার মিয়ানমার সফরে গিয়েছি। সে সময় মিয়ানমারের সেনাপ্রধান ছাড়াও তাদের নৌ ও বিমানবাহিনীপ্রধানরা সেই দ্বিপক্ষীয় মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। তখন তারা আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, তাদের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভ্যন্তরীণ সমস্যা থাকায় তারা অভিযান চালাচ্ছে। যার কারণে তাদের সীমান্তে মাঝে মাঝে জনবল বৃদ্ধি করছে। এতে করে তাদের সঙ্গে যে বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ক রয়েছে, এই বিষয়টা যেন অন্যভাবে চিন্তা না করা হয় সে জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের যোগাযোগ আছে। যখনই কোনো কিছু হয়, তা যোগাযোগের মাধ্যমে সমাধান করে থাকি। এই মুহূর্তে তেমন কিছু হওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।
অপর প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়টি রাজনৈতিক। এ ব্যাপারে আমাদের সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে, আগামী দিনেও করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।